728X90

0

0

0

0

0

0

0

0

0

এই অনুচ্ছেদে

প্রাণায়ামের মাধ্যমে নিজেকে দিন সুস্বাস্থ্যের উপহার
291

প্রাণায়ামের মাধ্যমে নিজেকে দিন সুস্বাস্থ্যের উপহার

প্রাণায়ামের সঠিক পদ্ধতির মধ্যে লুকিয়ে আছে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। শুধুমাত্র সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসের এই পদ্ধতি হতে পারে অনেক সমস্যাকে দূর করার সহজ কৌশল। আসুন জেনে নিন বিশদে এই বিষয়টি সম্পর্কে এখানে ক্লিক করে।

নিশ্বাস-প্রশ্বাসের সঠিক পদ্ধতির সম্বন্ধে আরও জানুন

ইন্টারন্যাশনাল যোগপ্রশিক্ষক ও Yooyogic-এর প্রতিষ্ঠাতা সাইনি নারাঙ্গ এই ছবিটি পাঠিয়েছেন

আজ থেকে 32 বছর আগে বেঙ্গালুরুর পার্বতী পি-র যখন মাত্র 20 বছর বয়স ছিল, তখন হঠাৎই তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের তীব্র সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ল যে তাঁর অ্যাস্থমা হয়েছে। কিন্তু তারপরে 32 বছর কেটে গেছে। এখন 54 বছরের সেই পার্বতী তাঁর মেয়ে ও মেয়ের সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবের সাথে মাঝে-মধ্যেই ট্রেকিংয়ে যান এবং তাঁর সাথের মানুষদের প্রত্যেকের বয়সই পার্বতীর চেয়ে অর্ধেকেরও কম।

পার্বতী বলেন যে তাঁর এক বন্ধু তাঁকে সেই সময় প্রাণায়াম করার পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং তখন থেকে পার্বতী একটানা প্রাণায়ামের অনুশীলন চালিয়ে গেছেন। এই কারণেই পার্বতীর শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা, যেমন শ্বাস নেওয়ার সময় ঘর-ঘর আওয়াজ হওয়া অথবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। তাঁর কথায়, “আমি যখন থেকে প্রাণায়ামের ব্যাপারে জেনেছি, তখন থেকেই নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিলাম আর তার ফলে আমার জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেছে।” বিগত 32 বছর ধরে, “এটি আমার শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতাকেই শুধু বাড়ায়নি, তার সাথে সাথে আমার সারা শরীরে আমি অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ও সুস্বাস্থ্যের অনুভূতি পেয়েছি।”

তিনি বলেন, “সূর্য-নমস্কার  (সূর্য নমস্কার আসন) ও কপালভাতি*অনুলোম-বিলোম প্রাণায়ামের* মতো এক্সারসাইজের মাধ্যমেই আমার প্রাত্যহিক দিনচর্চা শুরু হয়। এইসব শ্বাসগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যায়াম নিয়মিত করার ফলেই আমি ভালভাবে শ্বাস গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছি।”

প্রাণায়াম বলতে আমরা কী বুঝি?

দিল্লি-স্থিত ইন্টারন্যাশনাল যোগ প্রশিক্ষক ও সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা প্রদানের উদ্দেশ্যে নির্মিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, Yooyogic-এর প্রতিষ্ঠাতা, সাইনি নারাঙ্গ আমাদের প্রাণায়ামের বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করে বুঝিয়েছেন।

সাধারণ আলোচনার পরিসরে, প্রাণায়ামকে ‘শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত যোগাসন’ বলেই অভিহিত করা হয় কিন্তু এটি প্রকৃত অর্থে যোগের আটটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের মধ্যে অন্যতম একটি পর্যায়। তাই যোগ-সংক্রান্ত শাস্ত্রকে একত্রে ‘অষ্টাঙ্গ-যোগ’ বলা হয়।

প্রাণায়াম শ্বাসগ্রহণের এমনই একটি সচেতন কৌশল যা আমাদের শরীরের সাথে সাথে মনকেও সুস্থ-সবল করে। প্রাণ কথাটির অর্থ হল জীবন তথা জীবনের মূল চালিকাশক্তি (অথবা বায়ু) এবং আয়াম কথাটির অর্থ হল সংযম বা নিয়ন্ত্রণ।

প্রাণায়ামে বর্ণিত নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-গ্রহণ পদ্ধতি হল আমাদের শরীরে শ্বাস (প্রাণ বায়ু) গ্রহণের ক্ষমতাকে আরও উন্নত করার একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া। এই ধরনের যোগের নিয়মিত অভ্যাস আমাদের শ্বসনতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে এবং তার সাথে শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে যুক্ত শারীরিক সমস্যাকেও প্রতিরোধ করে।

নারাঙ্গ বলেন, “প্রাণায়ামের তিনটি পর্যায় আছে, যেগুলি হল পুরাকা অথবা নিয়ন্ত্রিত উপায়ে শ্বাসগ্রহণ, কুম্ভকা অথবা নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেতরে টেনে নেওয়া শ্বাসবায়ুকে আটকে রাখা এবং রেচকা অর্থাৎ শ্বাস ছেড়ে দেওয়া।” তিনি আরও বলেন, “ভেতরে টেনে নেওয়া শ্বাসবায়ুকে কিছু সেকেন্ডের জন্য ভেতরে আটকে রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যেখানে আমাদের বক্ষপ্রকোষ্ঠ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় এবং এটি আমাদের ফুসফুসের সম্পূর্ণ ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে দেয়।”

এই অনুশীলনের ফলে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়

  • ফুসফুসকে আরও শক্তিশালী করে

তামিলনাড়ুর বিনায়ক মিশনের মেডিক্যাল কলেজের গবেষকদের একটি দলের মাধ্যমে সম্পাদিত একটি অধ্যয়নে ফুসফুসের কার্যপ্রক্রিয়ার উপর ছয়-সপ্তাহের প্রাণায়াম কোর্সের প্রভাব মূল্যায়ন করে দেখা হয়েছে।

এই অধ্যয়ন থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে ছয়-সপ্তাহ ব্যাপী স্বল্প-সময়ের প্রাণায়ামের অনুশীলন আমাদের ফুসফুসের কার্যপ্রক্রিয়ার পরীক্ষামূলক ভ্যালুকে (পালমোনারী টেস্ট ভ্যালু )আরও উন্নত করতে পারে। এই গবেষণা থেকে আরও জানা গেছে যে প্রাণায়ামকে ফুসফুস প্রসারণের একটি সাধন বা হাতিয়ার হিসাবেও প্রচার করা যেতে পারে। এর ফলে, অ্যাস্থমা, অ্যালার্জিক ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া হওয়ার পরে আবার সেরে ওঠার প্রক্রিয়া, যক্ষ্মা ও অন্যান্য পেশাগত রোগের মতো শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত রোগ সারাতে ও তা প্রতিরোধ করা সম্ভবপর হয়।

  • শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রণালী

বেঙ্গালুরুর রামাইয়া মেডিক্যাল কলেজ ও টিচিং হসপিটালের গবেষকদের দ্বারা সম্পাদিত একটি সারা বছর ধরে চলা অধ্যয়নে 12-15 বছর বয়সের 49 জন স্কুল-পড়ুয়া বাচ্চা অংশগ্রহণ করেছিল, যাদের মধ্যে হাল্কা থেকে মাঝারি পর্যায়ের অ্যাস্থমার সমস্যা দেখা গিয়েছিল। গবেষকরা জানিয়েছেন যে নিয়মিত প্রাণায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে করা থেরাপি বয়ঃসন্ধির কালে অ্যাস্থমার প্রকোপ কমাতে উপযুক্ত হতে পারে কারণ এটি ফুসফুসের কার্যপ্রণালীকে আরও উন্নত করে এবং রোগের তীব্রতাকে কম করতেও সাহায্য করে।

  • হাইপারভেন্টিলেশন সংক্রান্ত সমস্যাকে এটি ম্যানেজ করতে সাহায্য করে

হাইপারভেন্টিলেশন হল এমনই একটি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়া পরিস্থিতি, যেখানে কোনও ব্যক্তি অনেক বেশি পরিমাণে নিশ্বাস ছাড়ার ফলে তার কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) ছাড়ার পরিমাণ অনেক বেশি হয় এবং তার ফলে রক্তে CO2 কনসেন্ট্রেশন খুব কমে যায়। এর ফলে যেসব উপসর্গ দেখা যায়, সেগুলি হল অল্প কিছু কাজ করলেই শ্বাস ফুলে যাওয়া, প্রচণ্ড ক্লান্তিভাব ও শরীরে অস্থিরতার অনুভূতি হওয়া।

বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির আয়ুর্বেদ বিভাগ থেকে একটি কেস স্টাডি প্রকাশ করা হয়েছিল যেখানে বলা হয়েছিল যে নাসারন্ধ্রের মাধ্যমে শ্বাস গ্রহণ ও বর্জনের বিকল্প পদ্ধতি এই পরিস্থিতিকে ম্যানেজ করতে সাহায্য করতে পারে।

  • ধূমপানের নেশা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে

লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজের ডিপার্টমেন্ট অফ এপিডেমিওলজি অ্যান্ড পাবলিক হেল্থ দ্বারা একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল যেখানে বিভিন্ন ধূমপায়ীদের সাথে কথা বলা হয়েছিল যারা ধূমপান ছেড়ে দিতে চান এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকার কারণে হওয়া শারীরিক অস্থিরতার জন্য কষ্ট পাচ্ছিলেন। তাঁদের সমীক্ষা থেকে একথা জানা গেছে যে যোগাসনের সাথে সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল তাঁদের ধূমপানের আসক্তি থেকে দূরে থাকতে প্রভূত সাহায্য করেছে।

গবেষকগণ জানিয়েছেন যে সমীক্ষার অংশগ্রহণকারীদের যোগাসন সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশলের ব্যাপারে কোনও ধারণাই ছিল না এবং তাই গবেষকরা মনে করেন যে এর ফল আরও ভাল হতে পারে যদি অধ্যয়নে অংশগ্রহণকারী ধূমপায়ীদের আগে থেকে প্রাণায়ামের কৌশলের ব্যাপারে প্রশিক্ষিত করা সম্ভব হয়।

  • মানসিক অবসাদ কম করতে সাহায্য করে

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের নিয়মিত অভ্যাসের ফলে অনেক সহজেই ঘুমের সমস্যা এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। আমরা দেখতে পেয়েছি যে এর ফলে আমাদের শরীরে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কম হয় এবং তার ফলে আমাদের শারীরিক অনুভূতির স্তর আরও উন্নত হয় এবং উদ্বেগের মাত্রা কম হয়ে আমাদের সামগ্রিক সুস্থতার পরিস্থিতি আরও সমৃদ্ধ হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে যে ধীরগতিতে এবং দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশলের অনুশীলন মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। একটি গবেষণায় এটিও দেখানো হয়েছে যে ধীরগতিতে অনুশীলন করা প্রাণায়াম কৌশল স্থায়ী কার্ডিওভাসকুলার রোগের উপসর্গ থাকা ব্যক্তিদের মানসিক চাপ কম করতে সাহায্য করে তবে এই ধরনের সমস্যায় ভোগা মানুষদের দ্রুত গতিতে প্রাণায়াম অনুশীলন করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

এর কি কোনও সাইড-এফেক্ট তথা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া আছে?

নারাঙ্গ বলেন, “যদিও শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত ব্যায়াম সকলের জন্যই নিরাপদ, তবুও শ্বাস-প্রশ্বাস-সংক্রান্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্বন্ধে বুঝতে একজন বিশেষজ্ঞের অভিমত ও পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সেইসব ব্যক্তির এই পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত যাদের শরীরে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা ধরা পড়েছে। গর্ভবতী মহিলা এবং যাঁদের শরীরে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতি দেখা গেছে, সেইসব ব্যক্তিদের কোনও বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতেই এইসব ব্যায়াম অনুশীলন করা উচিত”।

কীভাবে ব্যায়াম করবেন:

অনুলোম-বিলোম প্রাণায়াম (একটি নাসারন্ধ্র বন্ধ রেখে অপরটির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল) ডানহাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে ডানদিকের নাসারন্ধ্রকে বন্ধ করে বাঁদিকের নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাসগ্রহণ করতে হবে। অনুরূপভাবে, বাঁদিকের নাসারন্ধ্র, বাঁহাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে বন্ধ করে ডানদিকের নাসারন্ধ্র দিয়ে সেই বায়ু ছাড়তে হবে। এইভাবে পর্যায়ক্রমে নাসারন্ধ্র শ্বাস-প্রশ্বাস কৌশলের একটি রাউন্ড সম্পূর্ণ হয়।

 

 

 

 

 

 

 

কপালভাতি

দুটি নাসারন্ধ্রের মাধ্যমেই একযোগে শ্বাসগ্রহণ করে অতি দ্রুততার সাথে সেই শ্বাসবায়ু নির্গত করার পদ্ধতি। প্রতিবার শ্বাসবায়ু ছাড়ার সময় পেটকে নড়াতে/ডানা ঝাপটানোর মতো সঙ্কুচিত ও প্রসারিত করতে হবে যা প্রতি মিনিটে 60-120 বার শ্বাস নেওয়ার মতো দ্রুততায় করতে হয়।

 

আপনার অভিজ্ঞতা বা মন্তব্য শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এখন খবরে

প্রবন্ধ

প্রবন্ধ
দাঁত এবং মাড়ির স্বাস্থ্য খারাপ হলে সংক্রামক এন্ডোকার্ডাইটিস হতে পারে অর্থাৎ হার্ট ভালভের আস্তরণের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ। 
প্রবন্ধ
ছেলের বয়স 20 ছোঁয়নি, কিন্তু মাথায় একগাদা পাকা চুল। কেন হয় এমনটা, চুল পাকার স্বাভাবিক বয়সই বা কত, এই সব প্রশ্নের উত্তরই জেনে নেওয়া যাক।
প্রবন্ধ
ব্যায়াম নারীদের হাড় মজবুত রাখতে এবং হরমোনের ওঠানামা প্রতিরোধে সাহায্য করে। বাড়িতে 40 মিনিটের ব্যায়াম মহিলাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।
প্রবন্ধ
যোগায় হস্তমুদ্রা শুধুমাত্র ভঙ্গিমা নয়, প্রতিটি মুদ্রার নিজস্ব স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
প্রবন্ধ
ছয় বছরের মধ্যে দুবার কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন। অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী কলকাতার সেই ব্যবসায়ী এর মধ্যেই রোমাঞ্চের স্বাদও নিতে বেরিয়ে পড়েছেন।
প্রবন্ধ
ডার্মাটোমায়োসাইটিসের প্রাথমিক লক্ষণ, ত্বকের ফুসকুড়ি, পেশির দুর্বলতার মতো বেশ কিছু বিষয়। কিন্তু কখনও তা রক্ত সঞ্চালন প্রভাবিত করে, আবারও কোলন ক্যান্সারও ডেকে আনতে পারে।

0

0

0

0

0

0

0

0

0

Opt-in To Our Daily Healthzine

A potion of health & wellness delivered daily to your inbox

Personal stories and insights from doctors, plus practical tips on improving your happiness quotient

Opt-in To Our Daily Healthzine

A potion of health & wellness delivered daily to your inbox

Personal stories and insights from doctors, plus practical tips on improving your happiness quotient
We use cookies to customize your user experience, view our policy here

আপনার প্রতিক্রিয়া সফলভাবে জমা দেওয়া হয়েছে.

হ্যাপিস্ট হেলথ টিম যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার কাছে পৌঁছাবে।