728X90

0

0

0

এই অনুচ্ছেদে

একটাও ওষুধ না খেয়ে থাইরয়েড মোকাবিলা! সত্যিই কি সম্ভব?
30

একটাও ওষুধ না খেয়ে থাইরয়েড মোকাবিলা! সত্যিই কি সম্ভব?

থাইরয়েডকে কেবলমাত্র জিনঘটিত সমস্যা ভেবে বসলে ভুল হবে। দেখা গিয়েছে, পরিবারের কারও থাইরয়েডের ইতিহাস না থাকলেও আজকাল অল্প বয়সেই অনেকের থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে হরমোন নিঃসরণে ভারসাম্য থাকছে না। এই প্রবণতা মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসাকরা জানাচ্ছেন, সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে থাইরয়েড থেকে বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষ করে হাইপার-থাইরয়েড প্রাণঘাতী পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারে।

ছোট্ট মেয়েটার বয়স মাত্র 12 বছর। ক্লাস সেভেনে পড়ে সে। বিগত কয়েক মাস ধরেই ছোট্ট রিয়ার (নাম পরিবর্তিত) গলার স্বরটা যেন কেমন বদলে গিয়েছে। হতেই পারে! এই বয়সে যে সকলেরই কণ্ঠস্বর পাল্টাতে থাকে। কিন্তু বড়ই অদ্ভুত ভাবে তার গলার দুই পাশও ফুলে যায়। রিয়ার অভিভাবকেরা অনেক দিন ধরেই বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। শেষমেশ মেয়েকে নিয়ে তাঁরা ডাক্তারের কাছে যান। চিকিৎসক ছোট্ট মেয়েটির রক্তের TSH, T3 ও T4 টেস্ট করতে দেন। রিপোর্ট দেখে কিছুটা থতমত খেয়ে যান রিয়ার মা-বাবা। চিকিৎসক সাফ জানান, হাইপোথাইরয়েডে আক্রান্ত রিয়া।

প্রাথমিক ভাবে রিয়ার মা-বাবা মেয়ের চিকিৎসার জন্য জেনারেল ফিজ়িশিয়ান শেখর রায়ের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানেই ছোট্ট মেয়েটার থাইরয়েড ধরা পড়ে। এরপর তাঁরা মেয়েকে নিয়ে যান কলকাতার নামজাদা এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডাঃ সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। রিয়ার বেড়ে ওঠা মহেশতলায় হলেও তার পরিবার এসেছে কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকা থেকে। রিয়ারও জন্ম‌ সেখানে। তার পরিবারে থাইরয়েডের একটা বড় ইতিহাস আছে। ঠাকুরদা, এক জ্যাঠা, দুই জ্যাঠতুতো দিদিও থাইরয়েডে আক্রান্ত। কিন্তু এত কম বয়সে কারও থাইরয়েড ধরা পড়েনি। তাই, রিয়ার মা-বাবা একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন।

তবে, রিয়া কিন্তু একটা নাম মাত্র। বাস্তবটা আরও রূঢ়, ভয়াবহও। থাইরয়েডের এখন আর কোনও বয়স নেই। কমবয়সীদেরও অহরহ থাইরয়েড ধরা পড়ছে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি 2000 সদ্যোজাতের মধ্যে একজন থাইরয়েডে আক্রান্ত হয়েই জন্ম নিচ্ছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হওয়ায় এদের অনেকেরই মস্তিষ্ক ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জড়বুদ্ধি সম্পন্ন হয়ে গোটা জীবনটা বাঁচতে হচ্ছে। এই বিষয়ে কথা বলতে হ্যাপিয়েস্ট হেলথ যোগাযোগ করে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডাঃ সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি বলেন, “একটা নির্দিষ্য় বয়সের পর থাইরয়েড হবে, সেই দিন আর নেই।” ডক্টর চট্টোপাধ্যায় আরও জানালেন যে, তাঁর চেম্বারে প্রতিদিনই কোনও না কোনও অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে আসছে, যাদের TSH, T3, T4 টেস্টের রিপোর্টে থাইরয়েড ধরা পড়ছে।

যদিও এক্ষেত্রে রিয়া কিছুটা ব্যতিক্রম। আজকাল হাইপোথাইরয়েডিজ়মে আক্রান্ত হলেও গলগন্ড বা Goitre খুব কম‌ই হয়। ফলে, প্রাথমিক অবস্থায় এখন সিম্পটম অনেক সময় বোঝাও যায় না। অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়, কিন্তু ভাবেন তা হাঁপানির জন্য হচ্ছে। ফলে, অসুখ যথা সময়ে ধরা পড়ছে না। তাতে আরও ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষাই ভরসা। তাই ডাঃ চট্টোপাধ্যায় কম বয়সেই সন্তানের থাইরয়েড পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন অভিভাবকদের।

থাইরয়েডিজ়ম (Thyroidism) কী?

আসলে থাইরয়েডিজ়ম বলে চিকিৎসাশাস্ত্রে কোন‌ও টার্ম নেই। তবে, আজকাল অনেকে ‘Thyroid’ ও ‘ism’ এই দুটি পৃথক শব্দকে জুড়ে ‘Thyroidism’ টার্মটি ব্যবহার করছেন। মূলত, থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের অসুখ এবং তার চিকিৎসা প্রণালী বোঝাতে অনেকে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করে থাকেন। থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণকে হাইপার-থাইরয়েডিজ়ম (Hyperthyroidism) ও কম হরমোন নিঃসরণকে হাইপো-থাইরয়েডিজ়ম (Hypothyroidism) বলা হয়।

থাইরয়েড বা আরও ভাল করে বললে হাইপো-থাইরয়েডের অন্যতম প্রধান কারণ‌ই হল শরীরে আয়োডিনের অভাব। পার্বত্য এলাকার মানুষের মধ্যে আয়োডিনের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি করে দেখা যায়। তবে, আমাদের দেশে লবণে আয়োডিন মেশানো বাধ্যতামূলক করার পর এই খামতি অনেকটাই দূর হয়েছে। আবার, থাইরয়েড একটি জেনেটিক বা জিনঘটিত রোগও বটে। পরিবারসূত্রেও ছোট্ট রিয়া থাইরয়েডে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। যদিও চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, তার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে আয়োডিনের ঘাটতি আছে।

থাইরয়েড কি কেবলই জিনঘটিত অসুখ?

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনের মতো থাইরয়েডও একটি জিনঘটিত অর্থাৎ জেনেটিক অসুখ। কিন্তু থাইরয়েডকে কেবলমাত্র জিনঘটিত সমস্যা ভেবে বসলে ভুল হবে। দেখা গিয়েছে, পরিবারের কারও থাইরয়েডের ইতিহাস না থাকলেও আজকাল অল্প বয়সেই অনেকের থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে হরমোন নিঃসরণে ভারসাম্য থাকছে না। এই প্রবণতা মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসাকরা জানাচ্ছেন, সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে থাইরয়েড থেকে বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষ করে হাইপার-থাইরয়েড প্রাণঘাতী পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারে।

ডাক্তার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “শরীরে আয়োডিনের অভাব থাকলে বা অন্য কোনও কারণে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসৃত হলে হাইপো-থাইরয়েড হয়। তাতে হঠাৎ করেই অনেকে মোটা হয়ে যায়, কারও আবার গলগন্ড দেখা দেয়। কখনও খাবার গিলতে, কখনও আবার নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হয়। তবে শুধু ওষুধ খেলেই এর নিরাময় সম্ভব নয়। কারণ, থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসৃত হলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া তুলনায় একটু জটিল। এমনকি, বিষয়টি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে গেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটিকে কমিয়ে দিতে হয়। হাইপার-থাইরয়েড হলে অস্বাভাবিক রোগা হয়ে যায় মানুষ। ঘন ঘন শরীরে ক্লান্তি ভাব দেখা যায়। পাশাপাশি, থাইরয়েড গ্রন্থিতে নিডলও দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ফাইন নিডল টেস্ট-সহ আরও নানান পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন যে, তা ক্যান্সার কি না।”

তবে, থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যান্সার নিয়ে অনেকটাই আশ্বস্ত করছেন চিকিৎসকরা। পরিসংখ্যান বলছে, থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যান্সার হলেও 98% এরও বেশি মানুষ সঠিক চিকিৎসার পর পরবর্তীতে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। এদিকে ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি থাইরয়েডের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনশৈলী।

ওষুধ ছাড়া কীভাবে থাইরয়েড থেকে নিরাময় সম্ভব?

থাইরয়েড একটি অটো ইমিউন ডিজ়িজ়। সঠিক সময় চিকিৎসা করলে এবং ওষুধ খেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু ভাল আছি দেখে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে হিতের বিপরীত হতে পারে। এ বিষয়ে জেনারেল ফিজ়িশিয়ান শেখর রায় বলেন, “থাইরয়েড ধরা পড়লে আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। তবে, তার ডোজ় একমাত্র ডাক্তারই নির্ধারণ করতে পারেন। নিজে থেকে ওষুধ চালু করা বা বন্ধ করা চলবে না।” সেই সঙ্গে তিনি আরও যোগ করে বললেন, “থাইরয়েড হওয়া সত্ত্বেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব, যদি কয়েকটা বিষয় মেনে চলা যায়। ওষুধ আপনাকে রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে পারে, কিন্তু গুণগত জীবনযাপন করতে হলে আপনার লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে হবে।”

থাইরয়েড হলে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি এগুলো অবশ্যই মেনে চলুন-

• জাঙ্ক ফুড খাওয়া ছেড়ে দিন। শুধু থাইরয়েড নয়, যে কোন‌ও ক্ষেত্রেই জাঙ্ক ফুড বা ফাস্টফুড শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।

• সিগারেট, মদের মতো নেশা থাকলে তা অবিলম্বে ত্যাগ করতে হবে।

• প্রয়োজনীয় খাবার খান, প্রয়োজনে বারে বারে খান। তবে একসঙ্গে একগাদা খাবার পেট ঠুসে খাবেন না। কারণ, থাইরয়েড হরমোনের প্রধান কাজই হল খাবার থেকে শরীরের জন্য শক্তি বা এনার্জি তৈরি করা। এবার সেই প্রক্রিয়ায় কোনও গলদ থাকলে আপনার আপনার শরীরে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়াযই ব্যাহত হবে। তারপরেও যদি আপনি সবসময় ভরপেট খাবার খান, তাহলে বিপদ আরও বাড়বে।

• থাইরয়েডের ওষুধ চললে সয়াবিন জাতীয় খাবার খাওয়ার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সয়াবিন একেবারেই খাবেন না এমন নয়, কিন্তু ওষুধের সঙ্গে একই সময়ে খাবেন না।

• অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার, যেমন- চিজ়, মাখন, ঘি, রেড মিট ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

• রিফাইনড খাবার-দাবার, ময়দা, পাস্তা, পেস্ট্রি এগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

কী কী অবশ্যই করবেন-

• থাইরয়েডের সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সুস্থ জীবনযাপন করতে প্রতিদিন অন্তত 30 মিনিট করে হাঁটুন। সেই সঙ্গে চেষ্টা করুন, সকালে উঠে শরীর চর্চা করতে। এটা ম্যাজিকের মত কাজ করবে।

• অবশ্যই আয়োডিনযুক্ত লবণ খান।

• গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন সকালে ধনে ভেজানো জল খান।

• চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।

মাথায় রাখতে হবে

এক সময় মনে করা হত, থাইরয়েড হলে বাঁধাকপি, ফুলকপির মত বহু খাবার খাওয়া যায় না। অনেক ডায়েটিশিয়ান এখনও থাইরয়েড রোগীদের খাদ্য তালিকা তৈরি করতে গিয়ে কপি, গাজরের মত সবজি বাদ দিচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে বহু চিকিৎসক খাবারের উপর আলাদা করে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে রাজি নন। যে সব খাবার খেলে একজন সুস্থ মানুষেরও ক্ষতি হয়, একমাত্র সেগুলোই শুধু এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। পাশাপাশি থাইরয়েড অনেক সময় কোলেস্টেরলকে ডেকে আনে বলে ফ্যাট ও রেডমিট (খাসি, গরুর মাংস ইত্যাদি) যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই, মন চাইলে ভাল খাবার খান, কিন্তু পরিমিত মাত্রায়। তাহলেই থাইরয়েড থাকা সত্ত্বেও একটা সুন্দর জীবন কাটাতে পারবেন।

আপনার অভিজ্ঞতা বা মন্তব্য শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বহুল চর্চিত

প্রবন্ধ

প্রবন্ধ
দাঁত এবং মাড়ির স্বাস্থ্য খারাপ হলে সংক্রামক এন্ডোকার্ডাইটিস হতে পারে অর্থাৎ হার্ট ভালভের আস্তরণের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ। 
প্রবন্ধ
যোগায় হস্তমুদ্রা শুধুমাত্র ভঙ্গিমা নয়, প্রতিটি মুদ্রার নিজস্ব স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
প্রবন্ধ
আপনার হৃদয় যে সুস্থ আছে তা জানান দেওয়ার পূর্বলক্ষণ হল HDL কোলেস্টেরলের সঠিক  মাত্রা। আমরা খুঁজে দেখব কেন HDL -কে 'ভাল কোলেস্ট্রল' বলা হয়
প্রবন্ধ
কড়া এড়াতে নিয়মিত পা পরিষ্কার করা এবং ময়শ্চারাইজিং করাও দরকার। পা পরিষ্কার থাকলে, কেলাস তৈরি হলেও, কর্ণ বা কড়ায় পরিণত হওয়ার আগেই তা চলে যায়। 
প্রবন্ধ
প্রাণায়ামের সঠিক পদ্ধতির মধ্যে লুকিয়ে আছে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। শুধুমাত্র সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসের এই পদ্ধতি হতে পারে অনেক সমস্যাকে দূর করার সহজ কৌশল। আসুন জেনে নিন বিশদে এই বিষয়টি সম্পর্কে এখানে ক্লিক করে।
প্রবন্ধ
মধুমেহ সমস্যায় যারা ভুগছেন তাঁদের পুজোয় সঠিক পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত সাথে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন সাদা ভাত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

0

0

0

Opt-in To Our Daily Newsletter

* Please check your Spam folder for the Opt-in confirmation mail

Opt-in To Our
Daily Newsletter

We use cookies to customize your user experience, view our policy here

আপনার প্রতিক্রিয়া সফলভাবে জমা দেওয়া হয়েছে.

হ্যাপিস্ট হেলথ টিম যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার কাছে পৌঁছাবে।