এই কৌশল জেনে নিলেই জমবে অনেক টাকা

আয়ের তুলনায় ব্যয় কখনও বেশি করতে যাবেন না। সঞ্চয় বাড়ানোর জন্য অপ্রাসঙ্গিক খরচ কমাতে হবে এবং জীবনে প্রয়োজনীয়তা এবং বিলাসিতার মধ্যে কোনটা আপনার জন্য জরুরি, ঠিক করে নিতে হবে।

নিজের সাধ্যের মধ্যে থাকা

আপনার মোট আয় এবং মোট ব্যয়ের নিয়মিত ট্র্যাক করুন। এটি আপনার আর্থিক অবস্থার একটি ছবি তুলে ধরবে এবং সেই অনুযায়ী আপনাকে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে।

খরচের ট্র্যাক রাখুন

আপনার নেট আয়ের কমপক্ষে 20% সরাসরি সেভিংস অ্যাকাউন্টে বা অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ (RD, FD, MF)-এর জন্য সরিয়ে রাখুন। এই টাকাগুলি যাতে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই মাসের প্রথমে কেটে যায়, তার বন্দোবস্ত করুন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে টাকা লাগান

স্টক, রিয়েল এস্টেট বা অন্যান্য বিনিয়োগের মতো সোনায় বিনিয়োগে জন্য বিশেষ দক্ষতার বা ঝক্কি কোনওটারই প্রয়োজন হয় না। সোনার দাম বাড়ে, খুব একটা কমে না। তাই, সোনা কিনে রাখলে আর্থিক মন্দার সময় আপনি তা কাজে লাগাতে পারবেন।

সোনায় বিনিয়োগ করুন

স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের জন্য উপযোগী বিভিন্ন সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের বিকল্পগুলি অধ্যয়ন করুন। উচ্চ-সুদের হার এবং ন্যূনতম ঝুঁকি সহ বিকল্পগুলি নির্বাচন করুন।

বিনিয়োগের চ্যানেলগুলি খুঁজে বের করুন

অপ্রত্যাশিত বা আবেগপ্রবণ খরচ আপনার সঞ্চয়ের লক্ষ্যগুলিকে লাইনচ্যুত করতে পারে। তা নতুন স্কুটার বা চারচাকা গাড়ি কেনা হতে পারে বা অন্য কোনও স্বপ্ন হতে পারে। তা সে যাই হোক না কেন, স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।

ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করুন

কেউ বিষণ্ণ হলে কীভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াবেন?

Next>>